অজিত কুমার দাশ হিমু, কক্সভিউ:
পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। ঈদের ছুটি কাটাতে সমুদ্র সৈকতে ভিড় করছেন অগণিত পর্যটক। উচ্ছ্বাস আর আনন্দে সাগরের নীল জলরাশিতে ভাসছেন সবাই। সৈকতের বালিয়াড়ীতে দাঁড়িয়ে পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্ত অবলোকন, হাজার হাজার নারী-পুরুষের মহামিলন এবং সব বয়সের মানুষের উচ্ছ্বাসে রাঙ্গিয়ে তুলছে সাগরকন্যা কক্সবাজার। আর পর্যটকদের বরণ করতে বর্ণিল সাজে সেজেছে কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোনসহ পর্যটন স্পট গুলো। তাদের নিরাপত্তা দিতে নিয়োজিত রয়েছেন লাইফ গার্ড কর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।
ঈদের ছুটি কাটাতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ভিড় করতে শুরু করছেনে পর্যটকরা। ঈদের প্রথমদিন পর্যটকের সংখ্যা কম থাকলেও পরেরদিন থেকে পর্যটকের আগমন বাড়তে থাকে। নাগরিক জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তিপেতে দূরের নীল সাগরের জলরাশিতে উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা।
আর আনন্দঘন এ মুহূর্তটাকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করতে সেলফি তোলায় ব্যস্ত সময় পারছেন অনেকেই। তাদের উল্লাসে যেন মুখরিত সাগর তীর।
নিরাপদে সমুদ্র স্নান নিশ্চিত করতে সৈকতে নিয়োজিত রয়েছে অর্ধ-শতাধিক প্রশিক্ষিত লাইফ গার্ড। আর তাদের পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
শুধু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত নয়, দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, ইনানী পাথুরে বীচ, রামুর দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ পুরাকৃত্তি এলাকা, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির ও রাখাইন পল্লী, ডুলাহাজারার বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, হিমছড়ির অপরূপ ঝর্ণা, দরিয়ানগরসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট।
জিয়া গেস্ট ইন এর স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব শফিকুর রহমান বলেন- ছোট-বড় মিলিয়ে তিনশতাধিক হোটেল-মোটেল, গেষ্ট হাউস ও কটেজ রয়েছে। এবার দেশি পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটকেরও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি। তার মালিকানাধীন জিয়া গেষ্ট ইন ইতোমধ্যে অর্ধেকেরও বেশী রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে তিনি অভিযোগ করেন-হোটেল-মোটেল জোন এলাকার যেসব বস্তি ও ঝুপড়ি এলাকা রয়েছে সেখানে বিভিন্ন ধরণের মাদক বিকিকিনি হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সেগুলোর বন্ধের জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবী জানান তিনি।
ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানান, পর্যটক বরণে ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। পর্যটক হয়রানী রোধ ও তাদের নিরাপত্তায় বিভিন্ন পর্যটন স্পটে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স কাজ করছে। পাশাপাশি রয়েছে মোবাইল টীম ও সাদা পোষাকে পুলিশ ফোর্স।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"




You must be logged in to post a comment.