লেখিকা সানি লিওনের সঙ্গে ইতিমধ্যেই পাঠকের পরিচয় হয়েছে। তার লেখা গল্প কতটা সাহিত্যমানসম্পন্ন সে বিষয়ে সন্দেহ থাকলেও আপনাকে এই তথ্যটি দিয়ে রাখছি, বিভিন্ন মহলে তার লেখা প্রশংসিত হয়েছে। এই তালিকায় উনিশ-কুড়ি বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। এর মধ্যে আবার বেশিরভাগই তরুণী। এখন প্রশ্ন হলো, তরুণীরা কেন সানির লেখা পছন্দ করলেন? যেখানে বলা হচ্ছে তার লেখায় যৌনতা খুব বেশি স্পষ্ট।
সানির লেখা গল্পে যৌনতা অবধারিতভাবেই যেন আসে। বলা যায় গল্পে এই বিষয়টি উপজীব্য। তরুণী বা মহিলারা কেন এ ধরনের ‘ইরোটিকা’ বা যৌন উত্তেজনাপূর্ণ লেখা পড়ছেন, তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন সানি নিজেই। তিনি ‘ডেইলিও’ নামে একটি ওয়েবসাইটে লিখেছেন, ‘আমি মহিলাদের আকর্ষণ করার কথা মাথায় রেখেই গল্প লিখেছি। প্রায় প্রতিটি গল্পই মহিলাদের সামনে রেখে লেখা। ভারতের শহর এবং গ্রামাঞ্চলের প্রেক্ষাপট রয়েছে গল্পগুলোয়।’
সানির বক্তব্য, ‘আমি নিজে যে খুব একটা ইরোটিকা পড়ি তেমন নয়। তবে একটি বিষয় আমি খেয়াল করেছি। এই দেশে ইরোটিকা পড়ার প্রচলন বাড়ছে। মহিলারা প্রেম এবং রোমান্টিক লেখা পড়তে ভালবাসেন। এখন নিজেদের পড়ার গণ্ডি বাড়িয়ে ইরোটিকায় নিয়ে যেতে পেরেছেন। সামাজিকভাবে ইরোটিকাকে এখানে গ্রহণ করা হচ্ছে দেখে বেশ ভাল লাগছে।’
মহিলারা এ ধরনের লেখা পড়লে সেটাকে বাঁকা চোখে দেখার কোনো কারণ নেই বলে মনে করেন সানি। সানির কথায়, ‘কাউকে নিয়ে ফ্যান্টাসাইজ করা তো স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ধরনের লেখাগুলির মধ্যে আমি মহিলাদের চিন্তাভাবনা তুলে ধরতে চেয়েছি। আমি মনে করি, মহিলাদের ফ্যান্টাসাইজ করার জগতটা আমি খুলে দিতে পেরেছি তাদের সামনে। মহিলারা যদি গণ্ডি থেকে বেরিয়ে নিজেদের কল্পনাকে আরও প্রসারিত করার সুযোগ পান, তা হলে তারা সেটা করবেন না কেন?’
নারীর যৌনতাকে সানি লিওন বাকি পাঁচজনের চেয়ে আলাদা চোখে দেখবেন এটাই স্বাভাবিক। এবার দেখার বিষয় পুরুষরা বিষয়টি কীভাবে নেন?
সূত্র:risingbd.com
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"





You must be logged in to post a comment.