
পৃথিবীর বুকে কতো যে রহস্য এখনো লুকিয়ে আছে, সে সম্পর্কে প্রত্যক্ষ প্রমাণ ছাড়া কোনো পূর্ব ধারণাই করা যায় না। সময়ে সময়ে এমনও ঘটনার সম্মুখীন হয় মানুষ, যার ব্যাখ্যা দিতে হিমশিম খেতে হয় খোদ বিজ্ঞানীদেরও।
অনেকে উড়ুক্কু মাছ দেখে থাকলেও, সমুদ্রের পানির নিচে বালুতে কোনো মাছকে হাঁটতে দেখাটা বোধ হয় চোখ কপালে ওঠে যাওয়ার মতোই ব্যাপার। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে এমনই এক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন এক ফরাসী স্কুবা ডাইভার। এমন কাণ্ড দেখতে পেয়ে তা ভিডিও করেন ওই ডাইভার অ্যামেরিক বেনহালাসসা। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করলে নিমিষেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
খুব কাছ থেকে দেখলও কমলাটে-বাদামি বর্ণের মাছটি কী প্রজাতির তা বুঝতে পারেননি অ্যামেরিক। তিনি ভাবেন, এটি স্টিংফিশের কোনো প্রজাতি। এরপরেই ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ভিডিওটিও পাঠান তাদের। পরে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে। কয়েকজন মাছ বিশেষজ্ঞের দাবি, মাছটি স্টিংফিশ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। তবে মাছটি আসলে কোন প্রজাতির তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কোনো বিজ্ঞানীই।
তবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক জানাচ্ছে, মাছটির ‘পা’ এর মতো অংশটি আসলে তার ‘পেকটোরাল ফিন’। জাপানের কাগোশিমা ইউনিভার্সিটি মিউজিয়ামের মেরিন বায়োলজিস্ট হিরোয়ুকি মটোমুরা জানাচ্ছেন, স্টিংফিশের সমস্ত প্রজাতিই কাদার মধ্যে থেকে কীটপতঙ্গ খুঁজে বের করতে এই পেকটোরাল ফিন ব্যবহার করে। মাছটি যথেষ্ট বিষাক্ত বলেও জানান তিনি।
এই মাছটিও স্টিংফিশের কোনো প্রজাতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মটোমুরা। তবে এই মাছের ‘হাঁটা’র গতি স্টিংফিশের থেকে অনেকটাই বেশি। আর সেটাই বিজ্ঞানীদের আশ্চর্য করেছে সবচেয়ে বেশি।
সূত্র:poygam.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.