
এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
সপ্তাহজুড়ে থেমে থেমে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ঈদগাঁও বাজারের বাঁশঘাটা,হাসপাতালও তেলী পাড়া সড়কটি প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে করে, ব্যবসায়ীরা আতংকে রয়েছেন। এছাড়াও পোক খালীর বেঁড়ীবাধটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানা গেছে। এলাকার নিন্মাঞ্চল কোমর পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। নারী পুরুষ নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে।
দেখা যায়, ভারী বৃষ্টিপাতের পানি যাতায়াতের কোন সুব্যবস্থা না থাকায় ঈদগাঁও বাজারের হাসপাতাল সড়ক, তেলীপাড়া সড়ক ও বাঁশঘাটা সড়ক প্লাবিত হয়। এ সড়ক দিয়ে হাটু পরিমাণ পানি পার হয়ে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ লোকজনকে আসা যাওয়া করছে। সড়কের দু’পাশ জুড়ে বহু দোকান পাঠে যেকোন মুহুর্তেই পানি প্রবেশ করতে পারে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা চরম আতংকে ব্যবসা বাণিজ্যে করে যাচ্ছেন।
বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে নানা কাজকর্মে বাজারে আসা লোকজন চলাচলে কষ্ট পাচ্ছে। থেমে থেমে বৃষ্টিপাত কোন ভাবেই কমছেনা।
একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে সড়ক জুড়েই কদমাক্ত দুই সমস্যা নিয়ে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
কালিরছড়ার বালুরচর পাড়ায় খালের পাশ্বর্বতী বহু বসতবাড়ীর উঠানে পানিতে ভরপুর ছিল বলে জানালেন আয়েশা নামের এক গৃহবধূ। আবার স্থানীয় লোকজন পারাপারের জন্য যে ব্রীজটি রয়েছে সেটি অতীব ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোন মুহুর্তে ব্রীজটি ভেঙ্গে বা বন্যার পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ার আশংকা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত সংস্কারের দাবী তাদের।

Exif_JPEG_420
এদিকে মাইজ পাড়া খালের তীরবর্তী ঘরের উঠানে পানিবন্দি। বহু ঘরবাড়ীতে বৃষ্টির পানির কারণে চোলায় আগুন দিতে পারছেনা। জনদূর্ভোগে লোকজন।
ঈদগাঁও নদীতে পানি বেড়েই চলছে। এই খাল দিয়ে পানি সুষ্ঠুভাবে যাতাযাত করতে না পারায় এহেন অবস্থার সৃষ্টি বলে জানালেন সচেতন ব্যক্তিরা।
পোকখালী, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, জালালাবাদ, চৌফলদন্ডী ও ঈদগাঁওতে শত শত একর ফসলী জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেনা। ঈদগাঁও নদীর প্রমত্তা রূপ, পাহাড়ী ঢল নিয়ন্ত্রণে কোন টেকসই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
পোকখালীর গোমাতলী এলাকার সচেতন যুবক দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে জানালেন, উত্তর গোমাতলী থেকে রাজঘাট পর্যন্ত সড়কটি একেবারেই বিলীন হয়ে পড়েছে। এ সড়ক দিয়ে শিক্ষাঙ্গনে যেতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা। পোক খালীর বেঁড়ীবাধটি চরম ঝুঁকিতে। সংস্কার না করলে যেকোন মুহুর্তে বেঁড়ীবাধ ভেঙ্গে পুরো এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।
মানবাধিকারকর্মী সোনামিয়া জানান, ঈদগাঁওর কালিরছড়ার খালটি খনন করার দাবী জানান। কেননা এটি খনন করলে খালের পাশ্বর্বতী রাস্তা ও দুই পাশের বসতবাড়ী রক্ষা হবে, না হয় মরণ দশায় ভোগতে হবে। সে সাথে খালের পাশ্ববর্তী বেঁড়ীবাধটি টেকসই ভিত্তিতে নির্মাণ করা হোক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.