সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / ধর্মীয় / মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বনে শহরে পূজোর সূচনা: ১১ টি মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান প্রদান

মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বনে শহরে পূজোর সূচনা: ১১ টি মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান প্রদান

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :
মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ¦লনের মধ্য দিয়ে জেলায় শুরু হয়েছে শারদীয় দূর্গাৎসব। কক্সবাজার শহরের ব্রাহ্ম মন্দিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমে মঙ্গল প্রদীপ জালিয়ে দূর্গাপূজার আনুষ্টানিকতা শুরু করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্ধ। এর আগে কক্সবাজার পৌর এলাকার ১১ টি পূজা মন্ডপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত অনুদান প্রদান ও জেলা প্রশাসন এবং আইওএম কর্তৃক হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বিতরণ অনুষ্টানে বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশ।

তিনি বক্তব্যে অতীতে যারা দূর্গাপূজা পালনে ভূমিকা রেখেছেন তাদের স্বরণ করেন এবং অনুদান দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন পৃষ্টপোষকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড: রনজিত দাশ,বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের (ট্রাস্টি) বাবুল শর্মা, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপক শর্মা দীপু, ডাঃ পরিমল কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রনেতা দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, পৌর পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিটন কান্তি দে, সহ সভাপতি শাওন চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক রাজু পাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিকাশ কান্তি ধর, ঘোনারপাড়া পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি রুবেল শর্মা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মাহাবুবুর রহমান, নুপা আলম, বলরাম দাশ অনুপম প্রমুখ। অনুষ্টান সঞ্চালন করেন পৌর পূজা কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন পাল। সভায় আসা বিভিন্ন মঠমন্দিরের পূজারী ভক্তঅনুরাগী এবংপূজা কমিটির নেতৃবৃন্ধের প্রতি জেলা এবং পৌর পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্ধ বলেন,যেহেতু বর্তমানে করোনা সময় তাই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের দূগা পূজা সম্পন্ন করতে হবে। কোন অবস্থাতেই মন্দিরে ভীড় করা যাবে না, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। মন্দিরে আগত সবার জন্য মুখে মাস্ক এবং হ্যান্ডস্যানিটাইজার নিশ্চিত করতে হবে। সন্ধ্যায় মন্দিরে পূজা দিতে আসার চেয়ে দিনের বেলায় আসতে বেশি উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়া বিসজর্ন অনুষ্টানে কোন প্রকার সভা সমাবেশ হবে না জানিয়ে সেখানে কোন আনুষ্টনিকতা না করে শুধু বিসর্জন সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সাথে আযান এবং নামাজের সময় মাইক বন্ধ রাখা, কোন প্রকার আতশবাজী বা রং ছিটানো না করতে কঠোর ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

চুনতি ১৯ তম সীরতুন্নবী মাহফিলে সমাপনী দিনে লাখো মানুষের সমাবেশ

  এম আবু হেনা সাগর; চুনতি থেকে ফিরে.. চট্টগ্রামের লোহাগাড়া চুনতির ঐতিহাসিক ১৯দিন ব্যাপী ৫৫তম ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.