
বিশ্বকাপের ফাইনাল। কত উত্তেজনা! জ্বরে যেনো থরথর করে কাঁপছিলো পুরো লুঝনিকি স্টেডিয়াম। কিন্তু ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের কিছুক্ষণ পার হতেই ঘাম ছুটে জ্বরটা যেনো চলে গেলো। ৬৫ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোল ম্যাচ থেকে ছিটকে দিলো ক্রোয়েশিয়াকে। বক্সের বেশ খানিক বাইরে থেকে এমবাপ্পের আত্মবিশ্বাসী শট ঠেকানোর সাধ্য ছিলো না গোলরক্ষক ড্যানিজেল সুবাসিচের।
এমবাপ্পের গোলে ৪-১ এ পিছিয়ে পড়ার আগে বেশ ভালোই লড়াই করছিলো ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচ শেষের ৪-২ গোলের ফলাফলটাও পুরোপুরি সুবিচার করছে না ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে। মাঠের খেলায় আধিপত্যও দেখিয়েছে তারাই।
মাঠে খেললো ক্রোয়েশিয়া কিন্তু ফলটা পেলো ফ্রান্স। প্রথমার্ধে পুরো মাঠে ছিলো ক্রোটদের আধিপত্য। বলের দখল রেখেছিলো প্রায় দ্বিগুণ। তবে নিজেদের পক্ষে যতটুকু খেলেছে তার চেয়ে যেনো বেশি খেলেছে ফ্রান্সের পক্ষে। প্রথমার্ধে গোল হয়েছে মোট ৩টি। ২টি গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছে ক্রোটরা। তবে ফ্রান্সের জালে বল জড়িয়েছে ১ বার। ১টি গোল দিয়েছে নিজেদের জালে এবং ফ্রান্সকে একটি পেনাল্টি উপহার দিয়েছে। এভাবেই ২-১ গোলে পিছিয়ে থেকে শেষ করে প্রথমার্ধ।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের গল্পটা নিজেদের মতো করে লিখলো ফ্রান্স। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান পল পগবা। আর বোঝার উপর শাকের আঁটি হয়ে দেখা দিলো এমবাপ্পের গোল। ৫৯ মিনিটে গোলরক্ষক হুগো ল্যরিসের অপরিপক্ব সিদ্ধান্তে ব্যবধান কমান মারিও মানজুকিচ। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের হার ভেঙে দিলো ক্রোয়েশিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.