
সম্পন্ন হয়েছে কাতার বিশ্বকাপের প্রথম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্টেডিয়াম আল জানৌবের কাজ। ২০২০ সালের মধ্যেই শেষ হবে বাকি ৬ ভেন্যুর কাজও। স্বাভাবিকের চেয়ে এসব ভেন্যুর ব্যয় হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।
এদিকে, ২০২২ বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নির্মাণ কাজের জন্য দক্ষিণ এশিয়া থেকে শুরু করে বিশ্বের নানা দেশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ করেছে কাতার। এছাড়াও দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই আয়োজন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’! ফুটবল বিশ্বকাপের আগামী আসরটা ২০২২ সালে বসবে মরুভূমির দেশ কাতারে। ফুটবল প্রেমীদের জন্য অপেক্ষাটা এখনও লম্বা। তবে আয়োজকদের জন্য প্রতিটি দিন মহা মূল্যবান। তার ওপর মরুর তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে আনাটাও বড় চ্যালেঞ্জ। তবে প্রথম সোপানটা সাফল্যের সাথেই পার করেছে উপত্যকা রাষ্ট্রটি। বড় কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হয়েছে নতুন ৭ ভেন্যুর প্রথমটি।
আল জানৌব স্টেডিয়ামের বাইরে এদিন সন্ধ্যায় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভেন্যুর ভেতরে তাপ প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। মাঠে ২১ আর দর্শক সারিতে ২৪-২৬ ডিগ্রি। এতে খরচটা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুন থেকে তিন গুণ। আসন প্রতি খরচ ৬ থেকে ৭ হাজার মার্কিন ডলার। একেকটি স্টেডিয়ামে ব্যয় হবে ২৪০-২৮০ মিলিয়ন।
এদিকে, ভেন্যু ও অনুশীলন মাঠসহ আনুষাঙ্গিক নির্মাণ কাজের জন্য প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিককে নিয়োগ দিয়েছে আগামী বিশ্বকাপের আয়োজকরা। যেখানে ভারত-পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশের কর্মীও কাজ করছেন। কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের মানবেতর জীবনযাপন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অবশ্য সম্প্রতি নিয়োগ দেয়া এই কর্মীদের মানসম্মত খাবার, আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে কাতার। দেশের অর্থনীতিকে আরও উন্নত করতে বিশ্বকাপের পরেও শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ অব্যহত রাখার প্রত্যাশা আয়োজকদের। আগামী বছরের শেষভাগে বাকি ৬টি ভেন্যুও প্রস্তুত হয়ে যাবে জানিয়েছেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: somoynews.tv – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.