কর ফাঁকির অভিযোগে লিওনেল মেসিকে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে স্পেনের আদালত। একই অভিযোগে তার বাবা হোর্হে মেসিকেও ২১ মাসের দণ্ড দেয়া হয়। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ ইউরো কর ফাঁকির দায়ে পিতা-পুত্রকে এই সাজা দেন আদালত।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে দুই মিলিয়ন ইউরো। আর মেসির বাবাকে জরিমানা গুনতে হচ্ছে ১.৫ মিলিয়ন ইউরো। এই কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মেসির সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে বলে মনে করেন বার্সেলোনার মুখপাত্র জোজেপ ভিভেস।
এক সাক্ষাৎকারে জোজেপ ভিভেস বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকে। তারা কিন্তু মেসিকে অভিযোগ দিচ্ছে না। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে যে তার (মেসি) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়! এর ব্যাখ্যা তারা (যারা অভিযোগ এনেছে) দিতে পারছে না। এই অভিযোগ অপ্রায়োগিক ও উদ্দেশ্যমূলক। আমরা বুঝতে পেরেছি যে মেসির সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। ক্লাব তার পাশেই থাকবে।’
শাস্তি পাওয়ার পরও লিওনেল সেসি বার্সেলোনা ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছিল। সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে জোজেপ ভিভেস বলেন, ‘আমরা তার কাছের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। লিওর ক্লাব ছাড়তে চাওয়ার বিষয়ে আমরা জানি না। আর এটা নিয়ে আমাদের ভাবনাও নেই। আমরা মেসিকে নিয়ে কথা বলছি, যে ১৯ বছর বয়সে ওই সব চুক্তি করেছিল। এটা প্রমাণিত যে অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান তার ছিল না। সে শুধু ফুটবলেই মনোযোগ দিয়েছিল। পরামর্শকদের কথামতো চুক্তিগুলোতে সই করেছিল মেসি।’
সূত্র:banglamail24.com
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.