
দুই বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, ফুটবলের পরাশক্তি উরুগুয়ে। র্যাংকিংয়েও মিশরের (৪৬) চেয়ে ৩২ ধাপ এগিয়ে উরুগুয়ে (১৪)। সব বিচারেই যোজন যোজন এগিয়ে ল্যাটিন আমেরিকান জায়ান্টরা। দুই যুগেরও বেশি সময় বিশ্বকাপের বাইরে থাকা মিশরের মূল ভরসা সালাহকেই এদিন পায়নি দলটি।
ম্যাচের আগে অবশ্য সালাহর খেলার শতভাগ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন কোচ হেক্টর কুপার। তবে সেটা আর হয়নি। ডাগআউটে বসেই দলের হার দেখতে হয়েছে ফারওদের সবচেয়ে বড় তারকাকে।
তারপরেও ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই সমানে সমানে লড়াই করে গেছে মিশর। এদিন একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন বার্সেলোনা তারকা লুইস সুয়ারেজ। খেলার ২৩ এবং ৭৩ মিনিটে দু’টি সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন।
শেষ ১০ মিনিটে উরুগুয়ের মুহূর্মুহু আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে মিশরের রক্ষণ। ৮৩ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর থেকে করা কাভানির জোরালো শট হাওয়ায় ভেসে রুখে দেন মিশরের গোলকিপার আহমেদ আল শেহনাবি। পাঁচ মিনিট পর কাভনির ফ্রি কিক গোল বারে লেগে ফিরে আসে। তবে দুই মিনিট পর উরুগুয়েকে উল্লাসে ভাসান গিমেনেজ। সানচেজের ফ্রি কিক থেকে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান তিনি।
এরপর সমতায় ফেরার যথেষ্ট সময় ছিলো না মিশরের হাতে।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.