
গতকাল হ্যাট্রিক করে পর্তুগালের হার এড়িয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ নজর ছিলো লিওনের মেসির ওপর।
আর্জেন্টিনাকে জেতাতে পারেননি মেসি, হারেওনি আর্জেন্টিনা। ১-১ গোলে ড্র ম্যাচে নায়ক হতে পারেননি আর্জেন্টাইনদের সবচেয়ে বড় ভরসা। অগত্যা পেনাল্টি মিস করে হয়েছেন ভিলেন।
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে গোল মুখে রোনালদোর প্রচেষ্টা ছিলো ৪টি যেখানে মেসির প্রচেষ্টা চিলো ১১টি। তারপরেও সফলতা অধরায় থেকে গেছে ক্ষুদে জাদুকরের।
বিশ্বকাপের অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে ক্ষুদ্র জাতি আইসল্যান্ড। সব বিচারেই যোজন যোজন এগিয়ে ছিলো আর্জেন্টিনা। তাই তো ড্র করেও জয়ের আনন্দ আইসল্যান্ডের। গ্রুপের বাকি দুই দল শক্তিশালী ক্রোয়েশিয়া এবং নাইজেরিয়া- তাই আর্জেন্টিনার জন্য আজকের ড্রয়ে গ্রুপ পর্বের লড়াইটা কঠিনই হয়ে গেলো।
আর্জেন্টিনার হতাশার দিনে নায়ক বলতে হবে আইসল্যান্ড গোলরক্ষক হ্যালডারসনকে। আইসল্যান্ডের বরফজমাট রক্ষণের পেছনে চীনের প্রাচীর হয়ে ছিলেন তিনি। একের পর এক দুর্দান্ত সেভে হতাশ করেছেন আর্জেন্টিনাকে।
ম্যাচের ১৯ আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে তার ৪ মিনিট পরেই সমতায় ফেরে আইসল্যান্ড। আইসল্যান্ডের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন ফিনবুগসন।

সাম্পাওলির উচ্ছ্বাসটা শেষ পর্যন্ত আর থাকেনি
শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে খেলা আর্জেন্টিনা আগেও বেশ কয়েকবার সম্ভাবনা জাগিয়েছে।
খেলার ৫ মিনিটে মেসির ফ্রি কিক ওতামেন্ডির মাথা ছুঁয়ে গোল পোস্টে বাতাস লাগিয়ে চলে যায়। ৮ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা।
তবে আইসল্যান্ডও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলো। ৯ মিনিটের সময় ফিনবুগসনের শট গোল পেস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে সহজ সুযোগ মিস করেন জারনাসন।

মেসির পেনাল্টি মিসে হতাশ ম্যারাডোনা
১৭ মিনিটে মেসির দুরপাল্লার শট রুখে দেন গোলকিপার হালডরসন। মেসি, মেজো, মারিয়ারা বার বার আক্রমণে গিয়েও কাজের কাজ হয়নি।
৪২ মিনিটে আইসল্যান্ডের ডি বক্সের মধ্যে সিগুরসনের হাত বল লাগলেও আর্জেন্টিনার পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি। আর প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে আর্জেন্টিনার বক্সের ঠিক বাইরে ফাকায় বল পেয়ে করা সিগুরসনের শট সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।
৬৩ মিনিটে পেনাল্টি মিস করার দুই মিনিট পর মেসির ফ্রিকিক গোল পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়। শেষ দিকে বার বার চেষ্টা করেও বক্সের ভেতরে ঢুকতে না পারায় বাইরে থেকেই শট নিতে থাকেন মেসি। ৮১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া জোরালো শট অল্পের জন্য গোল খুঁজে পায়নি। দুই মিনিট পরে আবারও গোলমুখে দুর্দান্ত শট করেন মেসি। এবার তার সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন সতীর্থ মেজো। ৮৭ মিনিটে আরও একবার দারুণ সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন গোলকিপার হ্যালডারসন।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.